এর আগে বিএলও কেঁদেছেন,এনুমারেশান ফর্ম না পেয়ে
এবার ভোটার কাঁদলেন হাপুসনয়নে!
দীপ্তি রায় চাঁপদানী বিধানসভার অন্তর্গত বৈদ্যবাটি পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।
তিনি এস আই আর এর এনুমারেশন ফর্ম পাননি।বিএলও র কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ভাঙ্গড় বিধানসভা এলাকায় রয়েছে তার ভোটার তালিকায় নাম।সেখানেই তার এপিক নম্বর দিয়ে এনুমারেশন ফর্ম তুলে কেউ জমা করে দিয়েছে।
তাহলে কি এস আই আরে তার নাম বাদ যাবে,তিনি কি ভোট দিতে পারবেন,কতদিন ধরে দৌড়ঝাপ করতে হবে,এই চিন্তায় আপস নয়নে কাঁদলেন প্রৌঢ়ার স্বামী প্রশান্ত রায়।

জানা গেছে,বৈদ্যবাটি পুরসভার ছ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া থাকতেন রায় দম্পতি।বর্তমানে তারা ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।এস আই আর এর কাজ শুরু হবার পর স্থানীয় বি এল ও প্রশান্তবাবুর বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে প্রশান্ত রায়ের ফর্ম দিয়ে আসেন।দীপ্তি রায়ের ফর্ম দিতে পারেননি। ওনার কাছে সেই ফর্ম ছিল না।
এরপর সুপারভাইজার ইআরও র সঙ্গে কথা বলে বি এল ও তাদের জানিয়ে দেন দীপ্তি রায়ের ফর্ম অন্য ঠিকানায় রয়েছে।
এরপরই প্রশান্ত রায় জেলাশাসকের দপ্তর থেকে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন দপ্তরের খোঁজ নেন।জানতে পারেন ভাঙ্গরে দীপ্তি রায় এর নামে ফর্ম আপলোড করা হয়েছে।
রায় দম্পতি প্রশ্ন তারা ২০০২ সালের আগে থেকে বৈদ্যবাটি পুরসভার শেওড়াফুলি অঞ্চলে বসবাস করছেন।২০০২ সালের এসআই এর তালিকায় তাদের নাম রয়েছে ভোটার তালিকায় ২০২৫ এর তাতেও নাম রয়েছে তাদের।এবং সেটা বর্তমান ঠিকানায়।তাহলে কি করে তার নাম ভাঙড়ে গেল। প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন রায় দম্পতি।আর চাইছেন যেখানে থাকেন সেখানেই যেন ভোট দিতে পারেন।

হুগলির বৈদ্যবাটি পৌরসভার চেয়ারম্যান পিন্টু মাহাতো জানান এই যে এস আই আর হচ্ছে তার কোন পরিকল্পনামাপিক হচ্ছে না,২০০২ এ যেএসআইআর হয়েছিল তা ২০০০ সালে শুরু হয়েছিল ২০০২ শেষ হয়েছিল ২ বছর ধরে হয়েছিল, আর ২০২৫ এ যে এসআইআর হচ্ছে তা এক মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে ভুল ভ্রান্তি তো হবেই। এইরকম পরিকল্পনা পরিকল্পনা ছাড়া কাজ হলে মানুষ তো হন্যে হয়ে ঘুরবেই ।
