সারাদেশের সঙ্গে হুগলি জেলাতেও পালিত হয়েছে শক্তির দেবী মা কালির আরাধনা।

Spread the love

সারাদেশের সঙ্গে হুগলি জেলাতেও পালিত হয়েছে শক্তির দেবী মা কালির আরাধনা। সোমবার সকাল থেকে হুগলি জেলার বিখ্যাত কালী মন্দির গুলিতে ভক্তের ঢল নেমেছে।

শেওড়াফুলির নিস্তারিণী কালী মন্দিরে প্রচুর ভক্ত প্রাণ মানুষ মায়ের কাছে কাছে মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেছেন

,এদিন সন্ধ্যায় মায়ের আরাধনায় উপস্থিত থাকতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর মানুষ এসে উপস্থিত হয়েছিলেন মন্দির চত্বরে।এর সঙ্গে সঙ্গে হুগলির শ্রীরামপুরের মা শ্মশান কালীর পুজো উপলক্ষে দূর দূরান্তের মানুষ এসেছিলেন বল্লভপুরের শ্মশান মায়ের মন্দিরে।

এদিন মায়ের পুজো উপলক্ষে ভোররাত থেকে ভক্তরা এসে মায়ের চরণে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করেন এবং শান্তি কামনায় পুজো দেন, শুধু তাই নয় ভোর রাত থেকে গঙ্গা স্নান করে বহু মানুষ মানত করে দণ্ডী খাটেন। রিশরার অন্যতম জাগ্রত মা সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরেও এদিন মায়ের পুজো উপলক্ষে কয়েক হাজার ভক্ত প্রাণ মানুষ উপস্থিত হন মায়ের মন্দিরে। । আনুমানিক আজ থেকে ৮০০ বছর আগে জটাধর পাকড়াশি নামে এক নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ স্বপ্নাদেশে সিদ্ধেশ্বরী মা কালীর পূজার্চনা শুরু করেন। তারপর থেকে নির বিচ্ছিন্ন ভাবে চলে আসছে মায়ের অর্চনা। কথিত আছে রিষড়ার মা সিদ্দেশ্বরীর কাছে যদি কেউ কোন কিছু মানত করে কায় মনোবাক্যে মাকে স্মরণ করেন, তার সেই প্রার্থনা বিফলে যায় না, মা তার মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন এমনই জাগ্রত এখানকার মা।শ্রীরামপুরের নেতাজি সুভাষ এভিনিউ মা কালীর মন্দিরে এদিন সকাল থেকে শুরু হয় মায়ের আরাধনা ।এখানকার বর্তমান যিনি প্রধান সেবাইত মোহন গাঙ্গুলী জানালেন, গত ৫৬ বছর ধরে প্রতিদিন অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে আরাধনা হয়। তার পিতা প্রথম মায়ের মূর্তি স্থাপন করে পূজা শুরু করেন তারপর থেকে চলে আসছে মায়ের আরাধনা । এছাড়াও হুগলির তথা পশ্চিমবাংলার অন্যতম শক্তির দেবীর মা কালী নিত্য পুজিত হন সিঙ্গুরের রতনপুরে ডাকাত কালী নামে বিখ্যাত এই মা অত্যন্ত জাগ্রত কালী পূজার দিন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থান থেকে এবং জেলা দূর দূরান্ত থেকে মানুষজন সিঙ্গুরের রতনপুরে মায়ের মন্দিরে আসেন রাতভর অত্যন্ত নিষ্ঠা ভরে এদিন পূজো হয়েছে এবং ভোররাতে ভক্তরা ফিরে গেছেন মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে।

 

 

 

 


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *