বিএলও দের উপর অসম্ভব চাপ তৈরী করা হচ্ছে,যার ফলেএখনো পর্যন্ত ৪৩ জন এফেক্টেড হয়েছে। এটা বেআইনি কাজ হচ্ছে আমি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে বলবো আপনি এয়ারকন্ডিশন ঘর ছেড়ে মাঠে মাঠে ঘুরুন তাহলে বুঝতে পারবেন সমস্যা। দাবী করলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ।আজ শ্রীরামপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংসদ আরো বলেন
বিএলওদের উপর অসম্ভব চাপ দেওয়া হয়েছে।সারাদিন তাদের ফর্ম বিলি করতে হচ্ছে তারপর ফর্ম কালেকশন করতে হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ কৃষি প্রধান রাজ্য।গ্রাম বাংলার চাষীরা এখন মাঠে রয়েছে। তাদের ফর্ম দেওয়া হচ্ছে।বিএল ওরা সেই ফর্ম যোগাড় করে আপলোড করতে যাচ্ছেন কিন্তু করতে পারছেন না কোন নেটওয়ার্ক নেই।যে সব মধ্যবয়সী মানুষ বা তার উপরের তারা এই ধরনের কাজে অভ্যস্ত ও নন।কোন ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা করেনি নির্বাচন কমিশন। এই সব ঘটনার জন্য দায়ী শুভেন্দু অধিকারী,তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আসলে একটা অবাস্তব প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। দুটো দিকে ভীতি সঞ্চার করা হচ্ছে।একটা বিএলওদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে আর যারা বৈধ ভোটার তাদের।
