আজ শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করতে এসে প্রথমে দলীয় পতাকা উত্তোলন তারপর মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, যদি জেলে যেতে হয় যাব,মাথা নত করব না!

ইন্দিরা গান্ধী যেটা করতে পারেনি নরেন্দ্র মোদী সেটা করে ফেলেছে।ইন্দিরা গান্ধী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন।আর নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা ছাড়াই জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।
আগে জনতা ঠিক করতো সরকার গড়বে।এখন নরেন্দ্র মোদি ঠিক করে দিচ্ছে কে আমার ভোটার হবে।যাতে আমাকে ভোট দেয়।এটা কি গনতন্ত্র?

অমিত শাহ এসেছিলেন গুজরাটে যে ধরনের গুন্ডামি করে সেই ধরনের গুন্ডামি শিখিয়ে দিয়ে গেছেন।ও যত আসবে বিজেপির সিট তত কমবে।২০২১ এসেছিল বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে দিয়ে চলে গেল ২০২৫-এর শেষে রবীন্দ্রনাথ সান্যাল বলে দিয়ে গেলো।এইতো বাঙ্গালীদের প্রতি ওদের শ্রদ্ধা।পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে মোদি বলছে বঙ্কিম দা।এদের বিজেপি এমপি রামমোহন রায় সম্পর্কে যা তা বলছে।লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির মধ্যে কোন উত্তর প্রদেশ বিহারের লোক থাকবে না যেগুলো বিজেপির ভোটার।এরা বাঙালি বিদ্বেষী।এক কোটি ত্রিশ লক্ষ নাম বাদ দেবে বলছে আমরা চুপ করে সহ্য করব।এটা বিহার নয় এটা বাংলা।
দুদিন ধরে যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছ অমিত শা সেখানে বলেছে এসআই আর আমি বুঝে নেব।নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না অমিত শাহর কথায় চলছে।
ডিআরও, এইআরও দের বলতে চাই নির্বাচন কমিশন আপনাদের অপদার্থ বলেছে।এই গ্লানি নিয়ে আগামী দিন আপনারা কাজ করবেন কিনা সেটা আপনাদের ব্যাপার।ওটা আপনাদের সম্মিলিত ভাবনার ব্যাপার।
বাংলায় কাজ করলেই সে অপদার্থ হয়ে যাবে।কত বড় অপমান করেছে এটা ভেবে দেখবেন।আপনি নিজে বিজেপি করতে পারেন করুন কোনো অসুবিধা নেই।কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে আপনি অপদার্থ।
এবারের লড়াই অনেক বড় লড়াই।এই লড়াই যদি লক্ষ্য মানুষকে আমাদের জেলে যেতে হয় জেলে যাব।কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এই কাজকর্ম মানবোনা।
আমরা অনেক সময় বলি জুডিশিলায় থ্রেট খুব ভয়ঙ্কর।এখানে নির্বাচন কমিশন থ্রেট দিচ্ছে।কালকে বলছে দেখে নেব তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের জেলে ভরে দেব।ভরুন আপনি কত জেলে ভরবেন।মাথা আমরা নোয়াবো না।
আমাদের দেশের যে বিরোধী দলগুলো আছে তারা বুঝতেই পারছে না এটা কি হতে চলেছে।এস আই আর শুরু হওয়ার পর যে রিসার্চ করেছে তার কৃতিত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পশ্চিমবঙ্গের দেওয়ালে লেখা হয়ে গেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরে নেতা যদি কেউ হয় সেটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।চোখের সামনে তার পরিণত হওয়াটা দেখছি।তার জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বাড়ছে।যুবদের কাছে আইকন হয়ে দাঁড়িয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী ওর হাঁটুর যোগ্য হয়নি।পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির কোন নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাঁটু পর্যন্ত আসতে পারেনি।
যদি এক বাপের ব্যাটা হয় রাহুল সিনহা, অভিষেকের গায়ে হাত দিয়ে দেখাক পশ্চিমবঙ্গ জ্বলবে।বাড়ি থেকে বেরোতে পারবে না রাহুল সিনহা।
দুই-তৃতীয়াংশ আসন পশ্চিমবঙ্গে জিততে পারে বিজেপি বলেছেন অমিত শাহ,কল্যাণ বলেন গাঁজা সিদ্দি খেয়ে গুজরাট থেকে এসে এসব বলে যায়।
