বৈদ্যবাটি শেওড়াফুলি মিউনিসিপ্যালিটির অন্তর্গত ২৩নং ওয়ার্ডের ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী কাউন্সিলর রত্না দাস পাড়ায় কোনরকম ড্রেন সংস্কার, পাড়ার সার্বিক উন্নয়ন কিছু করেননি এত বছরে এবং যেটুকু রাস্তা ঘাট হয়েছে তার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে দুর্নীতি হয়েছে।

আমার পাড়া আমার সমাধানের খরচের বোর্ড লাগিয়ে কত পরিমান টাকা খরচ হয়েছে আর হিসাব দিয়েও কাজ সম্পূর্ণ করেনি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাদের বক্তব্য বহুদিন ধরে এলাকার পৌর সদস্য ও পৌর প্রধান কে জানিও কোন ফল হয়নি, রাস্তার কাজ কিছু হয়েছে অর্ধেকের বেশি হয়নি,

এলাকার নর্দমা কিছুটা পাকা বাকি কাজ হয়নি এই টাকাগুলো গেল কোথায় তার উত্তর চাইছে এলাকাবাসীরা।

একটু বর্ষা হলেই রাস্তার জল বাড়িতে ঢুকে যাচ্ছে নর্দমা পরিষ্কার হচ্ছে না বহুবার জানানো হয়েছে তবুও কাজ হচ্ছে না। আমার পারা আমার সমাধানের খরচের বোর্ড লাগিয়েও কাজই হয়নি এরকম এলাকা রয়েছে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের মানবাধিকার শাখার রাজ্য সম্পাদক শেখ নইমুদ্দিন জানান বহুদিন ধরে আমরা এলাকার কাউন্সিলর এবং পৌর প্রধান কে জানিয়েছি কিন্তু কোন কাজই হয়নি, এলাকার কাউন্সিলর তার একমাত্র কন্টাকটার কে দিয়েই কাজ করাতে গিয়ে অর্ধেক কাজেরও কম কাজ হয়েছে বাকি টাকার কোন হিসাব নাই আমরা এর প্রতিবাদ করছি যদি অবিলম্বে এই রাস্তার কাজ ড্রেনের সিস্টেম পরিষ্কার নতুন ড্রেন বানানো না হয় তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবো।
