মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হাজার অভিযোগ আছে।তার সঙ্গেও তো প্রধানমন্ত্রীর ছবি আছে।তার মানে প্রধানমন্ত্রী দূর্নীতি করেছেন নাকি।প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আঙুল তোলার হিম্মত কারো নেই। দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আজ রিষড়া সুভাষনগর হাউসিং এ গণেশ পুজো উদ্বোধন করে দিলীপ ঘোষ আরো বলেন

আমার এমএলএ,এমপি যদি চোর হয় প্রতিদিন জেলে যাচ্ছে মোবাইল পুকুরে ফেলছে।যেকোনো নেতার বাড়িতে ঢুকে যান টাকার কাঁরি আছে।কার টাকা?শিক্ষকরা রাস্তায় বসে আছে।খুন, ধর্ষণ হচ্ছে তার কোন বিচার হচ্ছে না।অনাচারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে পশ্চিমবঙ্গ।
জীবনকৃষ্ণ সাহার ঘটনা সবাই জানে।প্রথমবার সিবিআই এর কাছে যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল না তাই কেস জমাতে পারেনি।ইডি এখন নিয়েছে।আমার মনে হয় ইডির সেই ক্ষমতা যোগ্যতা আছে।এবং সাধারণ মানুষ যা চাইছে সেটাই হবে।
আগে আমরা বিহার ইউপি নিয়ে হাসাহাসি করতাম।এখন পশ্চিমবঙ্গে যার তার হাতে বন্দুক যাকে খুশি মেরে দিচ্ছে এখানে মানুষের সুরক্ষা কোথায় আছে। আইনশৃংখলার এই অবস্থা হয়ে গেছে তারপরও মুখ্যমন্ত্রী এই কথা বলেন।

আদ্রা–চান্ডিল শাখার বরাভূম রেলস্টেশনে মর্মান্তিক মৃত্যু প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন,খুবই মর্মান্তিক ঘটনা।পুলিশ প্রশাসন আছে।পুলিশ গিয়ে ডান্ডা মেরে লোক সরাতে পারে এটা করতে পারেনা।সমাজের মধ্যেও এ ধরনের মানবিকতা কমে যাচ্ছে।এটাও চিন্তার বিষয়।
বালি পাথর পাচার বন্ধ করতে হলে ওনার দলই উঠে যাবে।
পরিযায়ী নির্যাতন প্রসঙ্গে বলেন,বাংলাভাষী না বাংলাদেশী!বাংলাভাষী বলে উনি জিনিসটাকে গুলিয়ে দিতে চাইছেন।
রাহুল গান্ধীর যাত্রায় তৃনমূল প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন,পশ্চিমবঙ্গের বাইরে যাই করুক শিকড় গারতে পারবেনা তৃণমূল।রাহুল গান্ধীকে সান্ত্বনা দেওয়া হচ্ছে।