বৃহস্পতিবারের রাজ্য বাজেটে বাংলার জন গন মন অধিনায়িকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে রাজ্য বাজেটে সমস্ত শ্রেণীর মানুষের কল্যাণের দিকে নজর দিয়েছেন যা ভূভারতে কোন রাজ্যে পাবেন না। বৈদ্যবাটিতে শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রীরামপুর হুগলি সাংগঠনিক জেলা এবং আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে বিধায়ক অসীমা পাত্র, সাংসদ মিতালীবাগ, বিধায়ক অরিন্দম গুইন

জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান মহিলা থেকে ছাত্র কৃষক থেকে সাধারণ মানুষ প্রত্যেকের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক মান উন্নয়নের জন্য রাজ্য বাজেটে বরাদ্দ রেখেছেন, লক্ষীবারে বাংলার ২ কোটি ৪২ লক্ষ মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারে যথাক্রমে ৫০০ এবং ৭০০ টাকা করে বৃদ্ধি করে বাংলার গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছেন, শুধু তাই নয় ভূমিহীন কৃষকদের জন্য এবারের বাজেটে বছরে চার হাজার টাকা করে বরাদ্দ করেছেন যেটা ভু ভারতে নেই এর সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের সেচের জন্য যে টাকা দিতে হতো সেই টাকাটাও মুকুব করে দিয়েছেন আমাদের মা মাটির সরকারের অধিনায়িকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে আমরা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের যে কৃষক বিরোধী রূপ কৃষকদের উপর যে অত্যাচার তা আমরা দেখেছি। এর সঙ্গে সঙ্গে যে সমস্ত যুবকরা পড়াশোনা করছেন তাদের জন্য যুব সাথী নামে একটি নতুন স্কিম চালু করেছেন এবারের বাজেটে, ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়স্ক যুবকরা প্রতিমাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন এতে তাদের আগামী দিনগুলিতে পড়াশোনার জন্য নিজেদের যাতে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেই লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছর এই টাকা তাদের দেও য়া হবে। । অসীমা দেবী এবং মিতালী দেবী দুজনই কেন্দ্রীয় সরকারের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন, তাঁরা জানান সারা ভারতবর্ষে জুড়ে মোদি সরকার একের পর এক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন যেটা মানুষ আজ ধরে ফেলেছেন যেটা দেশের মানুষ ধরে ফেলেছেন।
অন্যদিকে এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত শ্রীরামপুর হুগলি তৃণমূল জেলার সংগঠনিক সভাপতি বিধায়ক অরিন্দম গুইন জানান ভারতবর্ষের মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের যে জুমলা সেটা আজকে প্রকাশ হয়ে গেছে। বছরে ২ কোটি মানুষের চাকরি,১৫ লক্ষ টাকা করে প্রত্যেক একাউন্টে জমা পড়বে বলে যে প্রতিশ্রুতি নরেন্দ্র মোদি সরকার দিয়েছিল তা কতটা অসার তা দেশের মানুষ আজ হাড়ে, হাড়ে টের পাচ্ছেন।
