কলকাতার মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তৃণমূলের মঞ্চ আচমকাই খুলে দিচ্ছিল সেনা! খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , ভাঙার কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে
বাংলা ভাষার অপমান এবং বাংলাভাষীদের হেনস্থার প্রতিবাদে এই মঞ্চ গঠন করেছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল । সোমবার দুপুরে আচমকাই সেনার তরফে ওই মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়।

ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে তৃণমূলের মঞ্চ খুলে দেওয়ার চেষ্টা করে সেনা। বাংলা ভাষার অপমান এবং বাংলাভাষীদের হেনস্থার প্রতিবাদে এই মঞ্চ গঠন করেছিল রাজ্যের শাসকদল। সোমবার দুপুরে আচমকাই সেনার তরফে ওই মঞ্চ খুলে দেওয়া শুরু হয়। কী কারণে মঞ্চ খুলে দেওয়া হচ্ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সেনা সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, ৩১ অগস্ট পর্যন্ত ওই মঞ্চের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। ওই সময়সীমা ফুরিয়ে যাওয়ার পরেই মঞ্চ খুলে দেওয়া হচ্ছে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলসুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচার এবং বাংলাভাষার অপমানের প্রতিবাদে এই মঞ্চ গঠন করেছিল তৃণমূল। প্রতি শনি এবং রবিবার এখানে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বসেন রাজ্যের শাসকদলের প্রতিনিধিরা। সোমবার দলের মঞ্চের কাছে গিয়ে মমতা অভিযোগ তোলেন, মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের মাইকের কানেকশন কেটে দিয়েছে। স্টেজ ভেঙে দিয়েছে, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। প্যান্ডেল আর্মিকে দিয়ে খুলিয়েছে। আমার আর্মির বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই। কারণ, আমরা সেনাকে নিয়ে গর্বিত। কিন্তু সেনাকে যখন বিজেপির কথায় চলতে হয়, তখন দেশটা কোথায় যায়, তা নিয়ে সন্দেহ জাগে!”এসব দিল্লির উস্কানিতেই হয়েছে, সেনাদের দোষ দেওয়া যায় না, সবশেষে যদিও তিনি জানান আমাদের এই আন্দোলন চলবে তবে এই আন্দোলন জরিনা ক্রসিংয়ের ওখানেই হবে, আগে যদিও শনি রবিবারের শুধু আন্দোলনের কথা থাকলেও তিনি জানান প্রতিদিনই আন্দোলন বিক্ষোভ চলবে। দলের নেতাদের বলেন আপনারা পুলিশের সাথে কথা বলে দেখে নেবেন কেন জনগণের কোন অসুবিধা না হয় রাস্তা যেন কোনভাবেই আটকে না থাকে সামনে পুজো তার মার্কেট করতেও কেন সাধারণ মানুষের অসুবিধা না হয়।