আজ সকাল থেকেই ইডি হানা দেয় প্রথমে প্রতীক জৈনের বাড়িতে তারপর আইপ্যাক এর সল্টলেকের দপ্তরে খবর পেয়ে ছুটে আসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সল্টলেকে আই প্যাকের দপ্তরে। তিনি বলেন আমাদের দলের সমস্ত কাগজপত্র, ভোটের কাজের নথিপত্র। এসব হচ্ছে বিজেপির চাল ভোটে জিততে পারছে না তাই তারা এই ধরনের এজেন্সি দিয়ে আমাদেরকে ভয় দেখাতে চাইছে তাতে কোন লাভ হবে না। তিনি ঘোষণা করেন ব্লক এ ব্লক এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মিছিল করার জন্য। সেই নির্দেশ পেয়েই সারা রাজ্যে বিকাল থেকে বিক্ষোভ মিছিল হয়।

সেইমতো হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মিছিল করেন মিছিলে অংশ নেন চাঁপদানির বিধায়ক অরিন্দম গুই বৈদ্যবাটি পুরসভার পুরোপিতা পিন্টু মাহাতো চেয়ারম্যান কাউন্সিল সুবীর ঘোষ ও অন্যান্য কাউন্সিলর এদিকে শ্রীরামপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেস বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলে ছিলেন শ্রীরামপুর পুরসভার পুর পিতা গিরিধারী সাহা, উপ-পুর পিতা উত্তম নাগ, সিআইসি গৌর মোহন দে, সন্তোষ সিং, পিন্টু নাগ সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। চাঁপদানির বিধায়ক অরিন্দম গুইণ জানান, বিজেপি ভয় পেয়েছে ভয় পেয়ে প্রতিবারের মতো ইডি, সিবিআইকে কাজে লাগায় ঠিক একইভাবে আজকেও আইপ্যাক দপ্তরে ইডি হানা করিয়েছে, এর প্রতিবাদে আজ আমরা তৃণমূল কংগ্রেস রাস্তায়, সারা রাজ্য জুড়ে এই প্রতিবাদ মিছিল চলছে অন্যায় ভাবে ইডি সিবিআইকে বিজেপি যেভাবে কাজে লাগাচ্ছে তারই প্রতিবাদে আজ আমরা সাধারণ মানুষ রাস্তায় পায়ে পা মেলাচ্ছি, সাধারণ মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়ে ফেলছে, একটা রাজনৈতিক দল তারা তাদের ইচ্ছামতো, তারা তাদের সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে এটা সাধারণ মানুষ মানবে না। তদন্ত করছে তদন্ত করুক তাতে কোন আপত্তি নেই কিন্তু যেখানে মমতা ব্যানার্জি দাঁড়িয়ে আছেন সেখানে আমাদের পার্টির যে সমস্ত দরকারি কাগজপত্র দলীয় বিধায়কদের নাম আছে সেসব কাগজ তারা নেবার চেষ্টা করছে এটা মেনে নেওয়া যায় না।
